স্বপ্নধরা এ্যাসেটস্ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড

প্রকৃতি ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় অবিশ্বাস্য যোগাযোগ ব্যবস্থার নিশ্চয়তায়, রাজউক ঝিলমিল প্রকল্পের কাছেই ৩০০ ফিট ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক সংলগ্ন গড়ে উঠছে এক যুগান্তকারী আবাসন প্রকল্প “স্বপ্নধরা”

অসাধারণ নিসর্গ সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে নিজের ও পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ আবাসন প্রত্যেকের যুগ যুগান্তরের চাওয়া । মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ এক টুকরো মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের জন্য গড়ে তুলছে আবাসন ব্যবস্থা। সভ্যতার পট পরিবর্তনে মানুষ গড়ে তুলে শিল্প, কারখানা ও বসবাস উপযোগী নগরী। মানুষ তার জীবিকার তাগিদে হয় নগরমুখী। আর তারই প্রেক্ষিতে গড়ে উঠেছে আধুনিক সুবিধা সম্বলিত রাজধানী ঢাকা। শ্যামল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে একটি স্বপ্ন-সুখের নীড় গড়তে চাই একখন্ড নিষ্কণ্টক জমি। অর্র্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা ও সঠিক পরিকল্পনার অভাবে ঢাকা শহরের আবাসিক সংকট যেমন তীব্র হয়েছে তেমনি এই প্রিয় শহর দিনে দিনে হয়ে উঠছে কংক্রিটের জঞ্জাল।

শব্দ দূষণ, গাড়ির কালো ধোঁয়ার ক্ষতিকর প্রভাব ও যানজটে বিধ্বস্ত ঢাকাকে ভবিষ্যতের পরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ার লক্ষ্যে রাজউক গড়ে তুলছে ”ঝিলমিল”প্রকল্প। আর এই ঝিলমিল প্রকল্পের সন্নিকটেই গড়ে উঠছে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সু-পরিকল্পিত নগরী ’স্বপ্নধরা’।

নগর জীবনের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ, পরিবেশ বান্ধব এলাকায় বসবাস করার ইচ্ছা সকলের। কিস্তু অর্র্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় ঘটানো যখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন স্বল্প আয়ের সচেতন মানুষের এই চিরন্তন চাওয়াকে পাওয়াতে পরিণত করতে গড়ে উঠছে ’ স্বপ্নধরা’।

জমির মূল্যের উর্ধ্বগতি সত্ত্বেও ”স্বপ্নধরা এ্যাসেটস্ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড” নিষ্ঠা, একাগ্রতা, আত্মবিশ্বাস, সততা ও নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে নিয়ে এলো এক অতুলনীয় অনুপম সমাধান, যাতে রাজধানী ঢাকার সন্নিকটে আপনিও অতি সহজেই হতে পারেন একখন্ড জমির গর্বিত মালিক।

ক্রমবিকাশমান ঢাকা শহরের জমির অপ্রতুলতা ঢাকাকে করেছে কংক্রিটের জঙ্গল, যেখানে প্রকৃতি সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষিত। আর এ সবকিছুকে দূরে ঠেলে প্রকৃতির সবুজকে ধারণ করে আমরা গড়ে তুলছি আধুনিকতার বুনিয়াদে এক ব্যতিক্রমধর্মী প্রকল্প ’স্বপ্নধরা’।

শংকাহীন স্বপ্নপূরণের শতভাগ নিশ্চয়তায় গড়ে উঠছে ”স্বপ্নধরা”।

প্রস্তাবিত ৩০০ ফিট ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশেই প্রকৃতি ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় অসাধারণ যোগাযোগ ব্যবস্থার নিশ্চয়তায় এক যুগান্তকারী প্রকল্প ’ স্বপ্নধরা’।

স্বপ্নধরায় আপনার স্বপ্ন সত্যি করতে থাকছে সকল নাগরিক ও অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা । থাকছে শিশুদের জন্য খেলার মাঠ ও থিম পার্ক । এছাড়াও থাকছে:

  • স্পোর্টস ক্লাব
  • স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটি
  • হেলথ ক্লাব
  • টেনিস কোট
  • এমিউজমেন্ট পার্ক
  • ওয়াটার গার্ডেন
  • আধুনিক শপিং সেন্টার
  • মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
  • কনভেনশন সেন্টার
  • সুপার শপ
  • আকর্ষণীয় ব্রীজ ও লেক
  • অফিস ও বাণিজ্যিক স্থান
  • সিনেপ্লেক্স
  • ব্যাংকোয়েট হল
  • ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ স্টেশন
  • অডিটোরিয়াম
  • কাঁচা বাজার
  • পোস্ট অফিস
  • থ্রি-স্টার ও ফাইভ-স্টার স্ট্যান্ডার্ড হোটেল
  • রেস্তোঁরা ও ফুড কোর্ট
  • সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
  • মসজিদ
  • ঈদগাহ মাঠ
  • কবর স্থান
  • মন্দির ও গীর্জা
  • গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ, টেলিফোন ও পয়:নিষ্কাশন ব্যবস্থা ।
  • ল্যান্ডস্ক্যাপিং পরিবেশ বান্ধব আবর্জনা সংরক্ষণ ব্যবস্থা ।
Master-layout-Plan

সঠিক সময়ে প্লট হস্তান্তর করতে “স্বপ্নধরা” অঙ্গীকারবদ্ধ। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রয়োজন দ্বি-পাক্ষিক সহযোগিতা ও সুষ্ঠু নীতিমালা:

  • পছন্দকৃত প্লট খালি থাকা সাপেক্ষে গ্রাহক তার প্লট বুকিং দিতে পারবেন ।
  • কোম্পানির নির্ধারিত বুকিং ফরমে প্লট গ্রহীতার ২ কপি ও নমিনীর ১ কপি ছবি ও কাঠা প্রতি ১০,০০০/=(দশ হাজার) টাকা বুকিং মানি সহ গ্রাহককে প্লটের জন্য প্রাথমিক বুকিং ফরম পূরণ করতে হবে ।
  • বুকিং মানি কাঠা প্রতি ১০,০০০/= (দশ হাজার) টাকা এবং ডাউন পেমেন্ট মোট মূল্যের ২০%(বিশ)। এককালীন মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করার পর এবং কিস্তির ক্ষেত্রে সর্বমোট সিদ্ধাস্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট পরিমান ডাউন পেমেন্ট পাওয়ার পর প্লট গ্রহীতার সাথে কোম্পানির চুক্তিনামা সম্পন্ন হবে। অবশিষ্ট টাকা চুক্তি অনুযায়ী ৬০, ৮৪ ও ৯৬ কিস্তিতে পরিশোধ করা যাবে।
  • প্লটের মূল্য কোম্পানির নির্ধারিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। কোম্পানি যে কোন সময় মূল্য তালিকা পরিবর্তনের অধিকার সংরক্ষণ করে। তবে নির্ধারিত মূল্যে প্লট বুকিং হওয়ার পর ভবিষ্যতে উক্ত প্লটের মূল্যের উপর কোম্পানি কোন প্রকার পরিবর্তন করবে না।
  • সকল পেমেন্ট Shopnodhora Assets Development Limited এর অনুকূলে চেক/ টি.টি/ ব্যাংক ড্রাফট ইত্যাদির মাধ্যমে পরিশোধ যোগ্য ।
  • বিদেশে অবস্থানরত সম্মানিত প্রবাসী ক্রেতাগণ সমপরিমান টাকা বৈদেশিক মুদ্রায় চেক/ টি.টি/ ব্যাংক ড্রাফট ইত্যাদির মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন ।
  • পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্যুয়ারেজ লাইন ও টেলিফোন ইত্যাদি মেইন সংযোগ কোম্পানির উদ্যোগে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রকল্পে স্থাপন করা হবে। এতদ্সংক্রান্ত যাবতীয় খরচাদি কাঠা প্রতি ”স্বপ্নধরা” এর প্রত্যেক ক্রেতা নির্ধারিত হারে বহন করবেন। প্রত্যেক ক্রেতা মেইন লাইন থেকে স্ব-স্ব প্লটে উপরোক্ত সংযোগ সমূহ নিজ খরচে স্থাপন করবেন।
  • প্রকল্প উন্নয়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া ও চুক্তি মোতাবেক মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে প্লট হসস্তান্তর করা হবে। হস্তান্তরের পর রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
  • প্লট বুকিং পরবর্তী মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোম্পানির বিপণন বিভাগের নিয়মানুযায়ী নাম ও ব্লক/ প্লট পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।
  • গ্রাহকদের নামে বরাদ্দকৃত নির্দিষ্ট প্লট কেবল নির্ধারিত উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা যাবে। প্লটে সকল ধরণের উন্নয়ন কর্মকান্ড কোস্পানির নিজস্ব ও সরকারি নীতিমালা অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।
  • বুকিং -এর টাকা প্রদান ও বরাদ্দ প্রাপ্তির পর যদি কোন কারণে প্লট ক্রেতা প্লট ক্রয়ে অসম্মত হন এবং বরাদ্দপত্র বাতিল করে প্রদত্ত টাকা ফেরত চান তা হলে কর্তৃপক্ষের নিকট বিপণন বিভাগে লিখিত আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বুকিং মানি অফেরৎ যোগ্য এবং  পরিশোধিত অর্থের 2০% অথবা 2০,০০০ টাকা কর্তন সাপেক্ষে (যাহা সর্বোচ্চ,তাহাই প্রযোজ্য) অবশিষ্ট টাকা ১৮০ কর্ম দিবস পরে কিস্তিতে ফেরত দেয়া হবে অথবা কোন কর্তন না করে বরাদ্দ বাতিল আবেদনের ৩৬(ছত্রিশ) মাস পর ফেরত দেয়া হবে
  • অনিবার্য কারণবশত: প্রকল্পের বৃহত্তর স্বার্থে প্রকল্পের লে-আউট এর প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করার ক্ষমতা কোম্পানি সংরক্ষণ করে।
  • প্রাকৃতিক বা রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে প্লট হস্তান্তরে বিলম্ব হলে প্রাপকের প্রকল্পের বৃহত্তর স্বার্থেই তা বিবেচনা করতে হবে।
  • প্লট গ্রহিতা শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী প্রতিদিনের জন্য ১০/- টাকা জরিমানাসহ কিস্তির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে হবে। তবে জরিমানার টাকা সহ বকেয়া কিস্তি পরিশোধের জন্য ৩(তিন) মাস সময়সীমা বলবৎ থাকবে, অন্যথায় জরিমানাসহ বকেয়া কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্লট বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • প্লট হস্তান্তরের পর প্রকল্প এলাকার সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের জন্য প্লট মালিকদের সমন্বয়ে ’স্বপ্নধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ গঠিত হবে। সকল প্লট মালিকগণই উক্ত সোসাইটির সদস্য হবেন। সোসাইটি কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্বাহের জন্য একটি ওয়েলফেয়ার ফান্ড থাকবে এবং সিদ্ধাস্ত অনুযায়ী ফান্ডে টাকা জমা দিতে হবে।
  • প্লট বরাদ্দের পর একনাগারে ৩(তিন) মাসের কিস্তি বকেয়া থাকলে বিনা নোটিশে প্লটের বরাদ্দ বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংরক্ষিত।
  • প্রকল্পের অভ্যস্তরীণ রাস্তাসমূহ ভবিয্যতে সঠিক উন্নয়ন-রক্ষণাবেক্ষণ ও সার্বক্ষণিক তদারকীর জন্য পর্যায়ক্রমে সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা /যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
  • কোম্পানি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত ব্রুশিয়ারে উল্লেখিত শর্তসমূহ বরাদ্দপত্রের একাংশ বলে গণ্য হবে।
  • সরকারি বিধিমালা ও ব্যবসায় রীতিনীতি অনুযায়ী কোম্পানি অত্র বরাদ্দপত্রের শর্তসমূহ সময়ে সময়ে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারবে।
  • প্রকল্পের উন্নয়নকল্পে ও বাস্তবায়নের স্বার্থে যে কোন বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধাস্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া গ্রাহকদের নিকট থেকে প্রকল্প সংক্রান্ত নানা মূল্যবান পরামর্শ কর্তৃপক্ষের নিকট অগ্রগণ্য বলে বিবেচিত হবে।